বাংলাদেশী চিকিৎসকদের সাফল্য

বিদেশ থেকে রোগীরা বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য আসছে। যারা একটু পাতলা পায়খানা হলেই দেশপ্রেমের মোহ ত্যাগ করে বিদেশে পাড়ি জমান তাদের জন্য এই খবরটা বিস্ময়করই বটে। বাংলাদেশের মাটিতে যে ভালো চিকিৎসক এবং ঔষধ তৈরি হয় সেটা উনারা মানতে চান না। দেশের সব টাকা বাইরে খরচ কয়রে দেশে এসে দেশপ্রেমের জ্ঞান দান করেন।

জি হ্যাঁ, বাংলাদেশের চিকিতসকদের কাছেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের মতো দেশ থেকে রোগীরা আসছেন ক্রনিক হেপাটাইটিস এর চিকিৎসা নিতে! বাংলাদেশি চিকিৎসকের উদ্ভাবিত জীবন রক্ষাকারী যে ঔষধের কারণে ছুটে আসছে বিভিন্ন দেশের রোগীরা! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেপাটোলজি (লিভার) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) স্যার ও জাপান প্রবাসী চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর স্যার বাংলাদেশে সফল হেপাটাইটিস চিকিৎসার নেপথ্য কারিগর।

নাসভ্যাক (Novel Nasal Vaccine for Hepatitis B বা NASVAC) বাংলাদেশি চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত প্রথম নিউ ড্রাগ মলিউকিউল যেটি ক্লিনিকাল ট্রায়ালের নানা ধাপ পেরিয়ে শেষ ধাপে আছে। বর্তমানে কিউবাসহ পৃথিবীর আরো কিছু দেশে ইতিমধ্যে বাজারজাত শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের FDA এবং বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন এর অনুমতি নিয়ে নাসভ্যাক এর  ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়ে দেখা গেছে ন্যাসভ্যাক প্রয়োগে ৬ মাসে ৫৯% হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের কারনে ক্রনিক হেপাটাইটিসে আক্রান্ত রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেছেন।

প্রচলিত স্বীকৃত ওষুধ পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন প্রয়োগে আরোগ্য পেয়েছেন ৩৮ শতাংশ রোগী। বর্তমানে ওষুধটি জাপানে মাল্টি সেন্টার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আছে। প্রয়োজনীয় আইন না থাকায় এটি এখনো বাংলাদেশে প্রস্তুত করা যায় নি তবে আগামী ২-১ বছরের মাঝেই এটি বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এখানেই সাফল্যের গল্পের শেষ নয়! যদি বলি এদেশেই স্টেম সেল থেরাপী দেয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, ডা. সপ্নীল ও তার দল  বাংলাদেশেই স্টেম সেল থেরাপীর মাধ্যমে লিভার সিরোসিস বা ফেইলিউর হয়ে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসা শুরু করেছেন।

লিভার সিরোসিস বা ফেইলিউর হওয়া অধিকাংশ রোগী মৃত্যুবরণ করেন এবং এর প্রচলিত চিকিৎসা লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট । যাতে খরচ প্রায় ৪০-৫০ লক্ষ টাকা  আর উপযোগী ডোনার পাওয়াও কষ্টসাধ্য। কিন্তু স্টেমসেল পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ মাত্র ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা। স্টেম সেল ব্যবহারের পদ্ধতিটি নতুন না হলেও ডাঃ স্বপ্নীল ও তার দল নিজস্ব উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে সরাসরি লিভারের আর্টারিতেই স্টেম সেল প্রয়োগ করছেন এবং এ প্রক্রিয়া ৩ জন রোগীর উপর প্রয়োগ করে ইতিমধ্যে সাফল্য  পেয়েছেন।

আর একটি বিষয় জানা দরকার যে, হেপাটাইটিস-বি এর পাশাপাশি হেপাটাটিস-সি ভাইরাসও লিভার নষ্ট হয়ে মারা যাবার অন্যতম কারণ। বহির্বিশ্বে  এই রোগে ব্যবহার্য ওষুধের মূল্য প্রায় ১ লক্ষ ডলার! কিন্তু বাংলাদেশে সেই একই ওষুধ এর মূল্য কত জানেন? মাত্র ১ হাজার ডলার! তৈরি করছে ইনসেপ্টা এবং বিকন। মূল একটিভ মলিকিউল তৈরি করা কোম্পানি বাংলাদেশ ও ভারতে এই ওষুধ তৈরির অনুমতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ২০৩৩ সাল পর্যন্ত পেটেন্ট রেস্ট্রিকশন পাওয়ায় এখানে এই ওষুধের দাম ভারতের চেয়ে কম। তাই বহির্বিশ্বের প্রচুর রোগী এই ওষুধ নিতে সরাসরি বাংলাদেশে আসছেন কিংবা অনলাইনে অর্ডার করে নিচ্ছেন।

শুধু লিভার কেন? হৃদরোগ, স্ট্রোক, পক্ষাগাথ গ্রস্থতা, ফুসফুসের সমস্যা, সংক্রামক ব্যাধি, আন্ত্রিক সমস্যা, সার্জারি এবং গাইনিতে আমাদের দেশের চিকিৎসকদের সাফল্য অনেক। একটা দেশের গড় আয়ু এমনি এমনি বাড়ে না।

আপানদের গালি, মারধর, মামলা-হামলা এবং মিডিয়ার মিথ্যা প্রপাগান্ডাকে উপেক্ষা করে এই বাংলাদেশের চিকিৎসকরা যা করছেন সেটা প্রশংসার দাবিদার। দেশকে সুস্থ রাখতে এই দেশের চিকিৎসকদের অবদান অনেক। দেশপ্রেম থাকলে এই দেশে চিকিৎসা নিন। দেশের টাকা দেশে রাখুন।

বিঃদ্রঃ তথ্য গুলো স্বীকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে নেওয়া।

ধন্যবাদ

ফয়সাল সিজার

 

 

 

We need to be cautious enough, while prescribing the fluoroquinolones

white-pills-fluoroquinolone-fb

The US Food and Drug Administration (FDA) said today, until and unless other treatment options are  available, patients with uncomplicated infections should not receive fluoroquinolones, given the risk for disabling and potentially permanent adverse events.

Fluoroquinolones are very productive antibiotics with better coverage against the Gram Negative organisms. It is active against the Gram positive organisms as well. But with the progression of time, the adverse effects related with fluoroquinolones outweigh their beneficial effects.

Fluoroquinolones cause adverse effects like, tendonitis, tendon rupture, central nervous system effects, peripheral neuropathy, exacerbation of myasthenia gravis, QT prolongation and torsades de pointes, phototoxicity, and hypersensitivity. These adverse events can also occur together.

In Bangladesh, we use fluoroquinolones like: Ciprofloxacin, Levofloxacin, Ciprofloxacin Extended release and Ofloxacin quite effectively. I have also seen the pharmaceutical companies to promote fluoroquinolones like Gatifloxacin, Sparfloxacin, Gemifloxacin and Moxifloxacin. Frankly speaking, I have not seen the adverse effects associated with these drugs to crop up in an ugly fashion. But we physicians, always keep ourselves updated about the recent studies of diseases and medicines and follow the new guidelines available. In that sense, we should be cautious enough regarding the use of fluoroquinolones.

These antibiotics have been proving their worth for more than twenty years in Bangladesh, but at the moment, I guess we need to be careful about using these antibiotics until and unless we don’t have any other options left.

Thank You

Faisal Caesar